logo



আমার লেখালেখি



আমার প্রিয় লেখা



আমার ছবিঘর



অনলাইনে আছেন

আব্দুল্লাহ-আল-নোমান এর নতুন বন্ধু নাজমুল


আমাদের সাথে আছেন ৬২ জন অতিথী
  

আব্দুল্লাহ-আল-নোমান এর অনলাইন ডায়েরী

আপনাদের সকলের উপর আল্লাহর শান্তি, রহমত এবং বরকত বর্ষিত হোক

ডায়েরী লিখছেন ৭ বছর ১১ মাস ২৬ দিন
মোট পোষ্ট ৬১টি, মন্তব্য করেছেন ১৫৪টি


বুলবুল আহমেদের সংক্ষিপ্ত জীবনী

লিখেছেন : আব্দুল্লাহ-আল-নোমান       তারিখ: ১৬-০৭-২০১০



১৯৪১ সালে পুরান ঢাকার আগামসিহ লেনে বুলবুল আহমেদের জন্ম। এক ভাই ও ছয় বোনের পর তাঁর জন্ম। বাবা-মা আদর করে ডাকতেন বুলবুল। ভালো নাম রেখেছিলেন তাবারক আহমেদ। বুলবুল আহমেদের বাবা ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা। তবে সংস্কৃতিমনা ছিলেন। বাড়িতেই নাটকের মহড়া করতেন। বুলবুল আহমেদ লুকিয়ে লুকিয়ে নাটকের মহড়া দেখতেন। কিন্তু বাবার ইচ্ছা, আগে পড়াশোনা শেষ করবে, তারপর শিল্প-সাহিত্য—এসবে জড়াবে।
কলেজিয়েট স্কুল থেকে এসএসসি পাস করে নটর ডেম কলেজে ভর্তি হন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে স্নাতকোত্তর করে ব্যাংকের চাকরিতে যোগ দেন। ১৯৬৫ সালে ডেইজি আহমেদকে বিয়ে করেন। টানা ১০ বছর ব্যাংকে চাকরি করেন বুলবুল আহমেদ। ১৯৭৫ সালে বুলবুল আহমেদ ইয়ে করে বিয়ে চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। এরপর জীবন নিয়ে জুয়া নামের একটি চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেন এবং সেখানে অভিনয় করেন। তারপর একে একে রূপালী সৈকত, সীমানা পেরিয়ে, মহানায়ক, সূর্যকন্যা, শুভদা, দেবদাস, ভালো মানুষ, বদনাম ছবিতে অভিনয় করে দ্রুত মানুষের কাছে প্রিয় অভিনেতার মর্যাদা পান। রাজলক্ষ্মী শ্রীকান্ত ছবি দিয়ে তিনি পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। চারটি চলচ্চিত্র পরিচালনা করেন তিনি। বুলবুল আহমেদ চারবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতিসহ (বাচসাস) বিভিন্ন সংগঠনের পুরস্কার লাভ করেন। পাশাপাশি ছোট পর্দায়ও কাজ করেছেন বেশ দাপটের সঙ্গে। তাঁর উল্লেখযোগ্য নাটক হলো এইসব দিনরাত্রি, বরফ গলা নদী, ইডিয়ট। তাঁর তিন সন্তান। ছেলে শুভ আর মেয়ে তিলোত্তমা ও ঐন্দ্রিলা আহমেদ।

৩৬৪৯ বার পঠিত

 
১৭-০৭-২০১০
এ.কে.এম. গোলাম রাব্বানী বলেছেন: বুলবুল আহমেদের মৃত্যু বাংলা চলচিত্রে অপুরনীয়।


মন্তব্য করতে লগিন করুন।
  

সাম্প্রতিক মন্তব্য







ছবিঘরের নতুন ছবি