logo



আমার লেখালেখি



আমার প্রিয় লেখা



আমার ছবিঘর



অনলাইনে আছেন

আব্দুল্লাহ-আল-নোমান এর নতুন বন্ধু নাজমুল


আমাদের সাথে আছেন ৭১ জন অতিথী
  

আব্দুল্লাহ-আল-নোমান এর অনলাইন ডায়েরী

আপনাদের সকলের উপর আল্লাহর শান্তি, রহমত এবং বরকত বর্ষিত হোক

ডায়েরী লিখছেন ৭ বছর ১১ মাস ২৯ দিন
মোট পোষ্ট ৬১টি, মন্তব্য করেছেন ১৫৪টি


জমে উঠেছে ঈদের কেনা-কাটা বাঘায় ভারতীয় কাপড়ে সয়লাব মার্কেট

লিখেছেন : আব্দুল্লাহ-আল-নোমান       তারিখ: ৩০-০৮-২০১০



ঈদ উপলক্ষে বাঘায় জমে উঠেছে ঈদের কেনা কাটা। রোজার প্রথম থেকে মার্কেট গুলোতে ভীড় লক্ষ্য করা গেলেও মূলতঃ ৭-৮ রোজা থেকে শুরু হয়েছে কেনা কাটার ধুম। এবারের ঈদকে কেন্দ্র করে সীমান্তবর্তী বাঘার প্রতিটি দোকানে ভরে গেছে ভারতীয় কাপড়ে। দেশীয় কাপড় যে কম বিক্রি হচ্ছে তাও নয়, ঢাকার মিরপুরী কাতানের দাম হাকা হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। আলোড়ন সৃষ্টি করছে মাতাক কালী থ্রী-পীচ।

সরেজমিন উপজেলার কলেজ মার্কেট, সাত্তার প্লাজা, হালিম সুপার মার্কেট, নিউআর প্লাজা এবং রূপায়ন মার্কেটে গিয়ে দেখা যায় প্রতিটি দোকানে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড়। কেউ কিনছেন,আবার অনেকেই পছন্দ করছেন। এ ক্ষেত্রে ছোট বাচ্চাদের পোশাক বিক্রি করতে লক্ষ্য করা গেছে সব চেয়ে বেশী। থ্রী-পিস, টু-পীচ, থান কাপড় , শাড়ী, পাঞ্জবী যে কম বিক্রয় হচ্ছে তাও নয়। তবে প্রতিটি ক্ষেত্রেই ভারতীয় পোশাক বিক্রি হচ্ছে সব চেয়ে বেশী। কারণ আনুপাতিক হারে এর মূল্য কম, ফলে বিক্রি হচ্ছে অনেক বেশী। এ ক্ষেত্রে ভাল দেশীয় কাপড়ের চাহিদাও কম নয়, বিভিন্ন দোকান ঘুরে লক্ষ্য করা গেছে, ঢাকার মিরপুরী কাতান বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। এ ছাড়াও জামদানি বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ হাজার ,জর্জেট ২ থেকে ৫ হাজার এবং রাজশাহী সিল্ক বিক্রি করতে দেখা গেছে ২ থেকে ৩ হাজার টাকার মধ্যে। অপর দিকে থ্রী-পিচ বিক্রি হচ্ছে মাতাক কালি ৫ থেকে ৭ হাজার, জিবছি ৪ থেকে ৬ হাজার এবং মন ময়ুড়ী ও সানিয়া মির্জা বিক্রয় হচ্ছে আড়াই থেকে ৫ হাজার টাকা এ ছাড়াও উন্নত মানের পাঞ্জাবী বিক্রি হচ্ছে ২ থেকে ৪ হাজার টাকার মধ্যে।

উপজেলার শাহদৌলা ডিগ্রী কলেজ মার্কেটের কাপড় ব্যবসায়ী‘ ডায়মন্ড ক্লথ ষ্টোর’ এর পরিচালক সুকদেব ও রূপায়ন মার্কেট ও প্রতিষ্ঠানের পরিচালক কামরুল হাসান জানান, ছিট কাপড়ের মধ্যে ভারতীয় জর্জেট ও হাতের কাজ করা কাপড়ের চাহিদা এবার সবচেয়ে বেশী। যা সব শ্রেণীর কাষ্টমাররা কিনতে বেশী আগ্রহ প্রকাশ করছেন। এ দিক থেকে দেশী কাপড়ের চাহিদা যে খুব একটা কম তাও নয়। তবে কাষ্টমারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, অন্যান্য বারের তুলনায় এবার কাপড়ের দাম আনুপাতিক হারে অনেক বেশী।

এ দিকে কাটা কাপড় নির্ভর টেইলার্স গুলো যে বসে আছে তাও নয়। ইতোমধ্যে বেসকিছু টেইলার্স অর্ডার নেয়া বন্ধ ঘোষনা করেছেন এবং সকল টেইলার্সই রাত দিন সমানে কাজ করে চলেছেন।

৩২৬৫ বার পঠিত

 
৩০-০৮-২০১০
মোঃ তরিকুল আলম বলেছেন: একেবারে জমজমাট অবস্থা !


মন্তব্য করতে লগিন করুন।
  

সাম্প্রতিক মন্তব্য







ছবিঘরের নতুন ছবি